কন্টেন্টে যান
NurVerse
পবিত্র কুরআননামাজের সময়ক্যালেন্ডারহাদিসদোয়া
Ad
Ad
Ad
Ad
NurVerse

কুরআন পড়ুন, নামাজের সময় ট্র্যাক করুন, দোয়া করুন এবং আপনার ইসলামি জীবন সমৃদ্ধ করুন।

© 2026 NurVerse. সকল অধিকার সংরক্ষিত।

অ্যাপ ইনস্টল করুনযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিব্যবহারের শর্তাবলী
সূরার তালিকা
মুসহাফ ভিউ
0/135

طه

Taha

Tâ-Hâ

মাক্কী·135টি আয়াত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

20:1
পারা 16
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

طه﴿١﴾

ত্ব-হা-।

—
20:2
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

مَآ أَنزَلْنَا عَلَيْكَ ٱلْقُرْءَانَ لِتَشْقَىٰٓ﴿٢﴾

তোমাকে ক্লেশ দেয়ার জন্য আমি তোমার প্রতি কুরআন নাযিল করিনি।

—
20:3
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

إِلَّا تَذْكِرَةً لِّمَن يَخْشَىٰ﴿٣﴾

বরং তা (নাযিল করেছি) কেবল সতর্কবাণী হিসেবে যে (আল্লাহকে) ভয় করে তার জন্য।

—
20:4
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

تَنزِيلًا مِّمَّنْ خَلَقَ ٱلْأَرْضَ وَٱلسَّمَـٰوَٰتِ ٱلْعُلَى﴿٤﴾

যিনি পৃথিবী ও সুউচ্চ আকাশ সৃষ্টি করেছেন তাঁর নিকট হতে তা নাযিল হয়েছে।

—
20:5
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

ٱلرَّحْمَـٰنُ عَلَى ٱلْعَرْشِ ٱسْتَوَىٰ﴿٥﴾

‘আরশে দয়াময় সমুন্নত আছেন।

—
20:6
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

لَهُۥ مَا فِى ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَمَا فِى ٱلْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا وَمَا تَحْتَ ٱلثَّرَىٰ﴿٦﴾

যা আকাশসমূহে আছে, যা যমীনে আছে, যা এ দু’য়ের মাঝে আছে আর যা ভূগর্ভে আছে সব তাঁরই।

—
20:7
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

وَإِن تَجْهَرْ بِٱلْقَوْلِ فَإِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلسِّرَّ وَأَخْفَى﴿٧﴾

যদি তুমি উচ্চকণ্ঠে কথা বল (তাহলে জেনে রেখ) তিনি গুপ্ত ও তদপেক্ষাও গুপ্ত বিষয় জানেন।

—
20:8
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ لَهُ ٱلْأَسْمَآءُ ٱلْحُسْنَىٰ﴿٨﴾

আল্লাহ, তিনি ব্যতীত সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, সুন্দর নামসমূহ তাঁরই।

—
20:9
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

وَهَلْ أَتَىٰكَ حَدِيثُ مُوسَىٰٓ﴿٩﴾

মূসার কাহিনী তোমার কাছে পৌঁছেছে কি?

—
20:10
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

إِذْ رَءَا نَارًا فَقَالَ لِأَهْلِهِ ٱمْكُثُوٓا۟ إِنِّىٓ ءَانَسْتُ نَارًا لَّعَلِّىٓ ءَاتِيكُم مِّنْهَا بِقَبَسٍ أَوْ أَجِدُ عَلَى ٱلنَّارِ هُدًى﴿١٠﴾

যখন সে আগুন দেখল (মাদ্ইয়ান থেকে মিসর যাবার পথে), তখন সে তার পরিবারবর্গকে বলল, ‘তোমরা এখানে অবস্থান কর, আমি আগুন দেখেছি, সম্ভবতঃ আমি তাত্থেকে তোমাদের জন্য কিছু জ্বলন্ত আগুন আনতে পারব কিংবা আগুনের নিকট পথের সন্ধান পাব।

—
20:11
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

فَلَمَّآ أَتَىٰهَا نُودِىَ يَـٰمُوسَىٰٓ﴿١١﴾

তারপর যখন যে আগুনের কাছে আসল, তাকে ডাক দেয়া হল, ‘হে মূসা!

—
20:12
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 312

إِنِّىٓ أَنَا۠ رَبُّكَ فَٱخْلَعْ نَعْلَيْكَ ۖ إِنَّكَ بِٱلْوَادِ ٱلْمُقَدَّسِ طُوًى﴿١٢﴾

বাস্তবিকই আমি তোমার প্রতিপালক, কাজেই তোমার জুতা খুলে ফেল, তুমি পবিত্র তুওয়া উপত্যকায় আছ।

—
20:13
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَأَنَا ٱخْتَرْتُكَ فَٱسْتَمِعْ لِمَا يُوحَىٰٓ﴿١٣﴾

আমি তোমাকে বেছে নিয়েছি, কাজেই তুমি মনোযোগ দিয়ে শুনো যা তোমার প্রতি ওয়াহী করা হচ্ছে।

—
20:14
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

إِنَّنِىٓ أَنَا ٱللَّهُ لَآ إِلَـٰهَ إِلَّآ أَنَا۠ فَٱعْبُدْنِى وَأَقِمِ ٱلصَّلَوٰةَ لِذِكْرِىٓ﴿١٤﴾

প্রকৃতই আমি আল্লাহ, আমি ছাড়া সত্যিকারের কোন ইলাহ নেই, কাজেই আমার ‘ইবাদাত কর, আর আমাকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে নামায কায়িম কর।’

—
20:15
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

إِنَّ ٱلسَّاعَةَ ءَاتِيَةٌ أَكَادُ أُخْفِيهَا لِتُجْزَىٰ كُلُّ نَفْسٍۭ بِمَا تَسْعَىٰ﴿١٥﴾

কিয়ামাত আসবেই, আমি তা গোপন রাখতে চাই, যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি স্বীয় চেষ্টা-সাধনা অনুপাতে ফল লাভ করতে পারে।

—
20:16
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

فَلَا يَصُدَّنَّكَ عَنْهَا مَن لَّا يُؤْمِنُ بِهَا وَٱتَّبَعَ هَوَىٰهُ فَتَرْدَىٰ﴿١٦﴾

কাজেই ক্বিয়ামতে যে বিশ্বাস করে না এবং স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, সে যেন তোমাকে তাত্থেকে কোনক্রমেই বিচ্যুত করতে না পারে, তাহলে তুমি ধ্বংস হয়ে যাবে।

—
20:17
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَمَا تِلْكَ بِيَمِينِكَ يَـٰمُوسَىٰ﴿١٧﴾

‘হে মূসা! তোমার ডান হাতে ওটা কী?’

—
20:18
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

قَالَ هِىَ عَصَاىَ أَتَوَكَّؤُا۟ عَلَيْهَا وَأَهُشُّ بِهَا عَلَىٰ غَنَمِى وَلِىَ فِيهَا مَـَٔارِبُ أُخْرَىٰ﴿١٨﴾

সে বলল, ‘এটা আমার লাঠি, আমি ওতে ভর দেই, এর সাহায্যে আমি আমার মেষপালের জন্য গাছের পাতা ঝেড়ে দেই আর এতে আমার আরো অনেক কাজ হয়।’

—
20:19
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

قَالَ أَلْقِهَا يَـٰمُوسَىٰ﴿١٩﴾

আল্লাহ বললেন, ‘হে মূসা! ওটা নিক্ষেপ কর।’

—
20:20
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

فَأَلْقَىٰهَا فَإِذَا هِىَ حَيَّةٌ تَسْعَىٰ﴿٢٠﴾

তখন সে তা নিক্ষেপ করল, অমনি তা সাপ হয়ে ছুটোছুটি করতে লাগল।

—
20:21
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

قَالَ خُذْهَا وَلَا تَخَفْ ۖ سَنُعِيدُهَا سِيرَتَهَا ٱلْأُولَىٰ﴿٢١﴾

আল্লাহ বললেন, ‘ওটাকে ধর, ভয় পেও না, আমি সেটাকে এক্ষুনি তার আগের রূপে ফিরিয়ে দেব।

—
20:22
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَٱضْمُمْ يَدَكَ إِلَىٰ جَنَاحِكَ تَخْرُجْ بَيْضَآءَ مِنْ غَيْرِ سُوٓءٍ ءَايَةً أُخْرَىٰ﴿٢٢﴾

আর তোমার হাত বগলে দিয়ে টান, তা ক্ষতিকর নয় এমন শুভ্রোজ্জ্বল হয়ে বের হয়ে আসবে- অন্য আরেকটি নিদর্শন হিসেবে।

—
20:23
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

لِنُرِيَكَ مِنْ ءَايَـٰتِنَا ٱلْكُبْرَى﴿٢٣﴾

যাতে আমি তোমাকে আমার বড় বড় নিদর্শনগুলোর কিছু দেখাতে পারি।

—
20:24
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

ٱذْهَبْ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ﴿٢٤﴾

ফেরাউনের কাছে যাও, বাস্তবিকই সে সীমালঙ্ঘন করেছে।’

—
20:25
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

قَالَ رَبِّ ٱشْرَحْ لِى صَدْرِى﴿٢٥﴾

মূসা বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমার জন্য আমার বক্ষকে প্রশস্ত করে দাও

—
20:26
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَيَسِّرْ لِىٓ أَمْرِى﴿٢٦﴾

আর আমার জন্য আমার কাজকে সহজ করে দাও।

—
20:27
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَٱحْلُلْ عُقْدَةً مِّن لِّسَانِى﴿٢٧﴾

আমার জিহ্বার জড়তা দূর করে দাও।

—
20:28
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

يَفْقَهُوا۟ قَوْلِى﴿٢٨﴾

যাতে তারা আমার কথা বুঝতে পারে।

—
20:29
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَٱجْعَل لِّى وَزِيرًا مِّنْ أَهْلِى﴿٢٩﴾

আর আমার পরিবার হতে আমার জন্য একজন সাহায্যকারী বানিয়ে দাও।

—
20:30
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

هَـٰرُونَ أَخِى﴿٣٠﴾

আমার ভাই হারূনকে।

—
20:31
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

ٱشْدُدْ بِهِۦٓ أَزْرِى﴿٣١﴾

তার দ্বারা আমার শক্তি বৃদ্ধি কর।

—
20:32
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَأَشْرِكْهُ فِىٓ أَمْرِى﴿٣٢﴾

আমার কাজে তাকে অংশীদার কর।

—
20:33
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

كَىْ نُسَبِّحَكَ كَثِيرًا﴿٣٣﴾

যাতে আমরা বেশি বেশি করে তোমার পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করতে পারি।

—
20:34
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَنَذْكُرَكَ كَثِيرًا﴿٣٤﴾

আর তোমাকে অধিক স্মরণ করতে পারি।

—
20:35
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

إِنَّكَ كُنتَ بِنَا بَصِيرًا﴿٣٥﴾

তুমি তো আমাদের অবস্থা সবই দেখছ।’

—
20:36
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

قَالَ قَدْ أُوتِيتَ سُؤْلَكَ يَـٰمُوسَىٰ﴿٣٦﴾

তিনি (আল্লাহ) বললেন, ‘হে মূসা! তোমার প্রার্থনা গৃহীত হল।

—
20:37
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 313

وَلَقَدْ مَنَنَّا عَلَيْكَ مَرَّةً أُخْرَىٰٓ﴿٣٧﴾

আমি তো তোমার উপর আরো একবার অনুগ্রহ করেছিলাম।

—
20:38
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

إِذْ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ أُمِّكَ مَا يُوحَىٰٓ﴿٣٨﴾

যখন আমি তোমার মায়ের প্রতি ইঙ্গিত করেছিলাম যা ওয়াহীযোগে জানানো হয়েছিল-

—
20:39
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

أَنِ ٱقْذِفِيهِ فِى ٱلتَّابُوتِ فَٱقْذِفِيهِ فِى ٱلْيَمِّ فَلْيُلْقِهِ ٱلْيَمُّ بِٱلسَّاحِلِ يَأْخُذْهُ عَدُوٌّ لِّى وَعَدُوٌّ لَّهُۥ ۚ وَأَلْقَيْتُ عَلَيْكَ مَحَبَّةً مِّنِّى وَلِتُصْنَعَ عَلَىٰ عَيْنِىٓ﴿٣٩﴾

যে তুমি মূসাকে সিন্দুকের মধ্যে রাখ। তারপর তা দরিয়ায় ভাসিয়ে দাও। অতঃপর দরিয়া তাকে পাড়ে ঠেলে দেবে। তাকে আমার শত্রু ও তার শত্রু উঠিয়ে নেবে। আমি আমার নিকট হতে তোমার প্রতি ভালবাসা ঢেলে দিয়েছিলাম, যাতে তুমি আমার দৃষ্টির সম্মুখে প্রতিপালিত হও।’

—
20:40
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

إِذْ تَمْشِىٓ أُخْتُكَ فَتَقُولُ هَلْ أَدُلُّكُمْ عَلَىٰ مَن يَكْفُلُهُۥ ۖ فَرَجَعْنَـٰكَ إِلَىٰٓ أُمِّكَ كَىْ تَقَرَّ عَيْنُهَا وَلَا تَحْزَنَ ۚ وَقَتَلْتَ نَفْسًا فَنَجَّيْنَـٰكَ مِنَ ٱلْغَمِّ وَفَتَنَّـٰكَ فُتُونًا ۚ فَلَبِثْتَ سِنِينَ فِىٓ أَهْلِ مَدْيَنَ ثُمَّ جِئْتَ عَلَىٰ قَدَرٍ يَـٰمُوسَىٰ﴿٤٠﴾

যখন তোমার বোন গিয়ে বলল, ‘তোমাদেরকে কি বলে দেব কে এই শিশুর তত্ত্বাবধান ও প্রতিপালনের ভার নেবে?’ এভাবে আমি তোমাকে তোমার মায়ের কাছে ফিরিয়ে আনলাম যাতে তার চোখ জুড়ায় আর সে দুঃখ না পায়। আর তুমি এক লোককে হত্যা করেছিলে, অতঃপর আমি তোমাকে মনোবেদনা থেকে মুক্তি দিয়েছি। আমি তোমাকে অনেক পরীক্ষা করেছি। অতঃপর তুমি কয়েক বছর মাদ্ইয়ানবাসীদের মধ্যে অবস্থান করলে, এরপর হে মূসা! তুমি নির্ধারিত সময়ে এসে হাযির হয়েছ।

—
20:41
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

وَٱصْطَنَعْتُكَ لِنَفْسِى﴿٤١﴾

আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য তৈরি করেছি।

—
20:42
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

ٱذْهَبْ أَنتَ وَأَخُوكَ بِـَٔايَـٰتِى وَلَا تَنِيَا فِى ذِكْرِى﴿٤٢﴾

তুমি আর তোমার ভাই আমার নিদর্শন নিয়ে যাও আর তোমরা আমাকে স্মরণ করার বিষয়ে শৈথিল্য করো না।

—
20:43
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

ٱذْهَبَآ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ إِنَّهُۥ طَغَىٰ﴿٤٣﴾

তোমরা দু’জন ফেরাউনের নিকট যাও, বস্তুতঃ সে সীমালঙ্ঘন করেছে।

—
20:44
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

فَقُولَا لَهُۥ قَوْلًا لَّيِّنًا لَّعَلَّهُۥ يَتَذَكَّرُ أَوْ يَخْشَىٰ﴿٤٤﴾

তার সঙ্গে তোমরা নম্রভাবে কথা বলবে, হয়তো সে উপদেশ গ্রহণ করবে কিংবা (আল্লাহর) ভয় করবে।’

—
20:45
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

قَالَا رَبَّنَآ إِنَّنَا نَخَافُ أَن يَفْرُطَ عَلَيْنَآ أَوْ أَن يَطْغَىٰ﴿٤٥﴾

তারা বলল, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের ভয় হচ্ছে সে আমাদের প্রতি হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠবে কিংবা আমাদের প্রতি আচরণে বাড়াবাড়ি করবে।’

—
20:46
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

قَالَ لَا تَخَافَآ ۖ إِنَّنِى مَعَكُمَآ أَسْمَعُ وَأَرَىٰ﴿٤٦﴾

তিনি বললেন, ‘তোমরা ভয় করো না, আমি তোমাদের সাথেই আছি, আমি (সব কিছু) শুনি আর দেখি।

—
20:47
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

فَأْتِيَاهُ فَقُولَآ إِنَّا رَسُولَا رَبِّكَ فَأَرْسِلْ مَعَنَا بَنِىٓ إِسْرَٰٓءِيلَ وَلَا تُعَذِّبْهُمْ ۖ قَدْ جِئْنَـٰكَ بِـَٔايَةٍ مِّن رَّبِّكَ ۖ وَٱلسَّلَـٰمُ عَلَىٰ مَنِ ٱتَّبَعَ ٱلْهُدَىٰٓ﴿٤٧﴾

কাজেই তোমরা দু’জন তার কাছে এসো আর বল- আমরা তোমার প্রতিপালকের রসূল, কাজেই বানী ইসরাঈলকে আমাদের সঙ্গে পাঠিয়ে দাও, তাদের প্রতি উৎপীড়ন করো না। তোমার প্রতিপালকের নিদর্শনসহই আমরা তোমার কাছে এসেছি, আর শান্তি বর্ষিত হোক তাদের প্রতি যারা সৎ পথ অনুসরণ করে।

—
20:48
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

إِنَّا قَدْ أُوحِىَ إِلَيْنَآ أَنَّ ٱلْعَذَابَ عَلَىٰ مَن كَذَّبَ وَتَوَلَّىٰ﴿٤٨﴾

আমাদের কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে শাস্তি (অপেক্ষা করছে) তার জন্য যে (সত্য) প্রত্যাখ্যান করে আর মুখ ফিরিয়ে নেয়।’

—
20:49
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

قَالَ فَمَن رَّبُّكُمَا يَـٰمُوسَىٰ﴿٤٩﴾

ফেরাউন বলল, ‘হে মূসা! কে তোমাদের প্রতিপালক?’

—
20:50
পারা 16 · হিযব 32 · পৃষ্ঠা 314

قَالَ رَبُّنَا ٱلَّذِىٓ أَعْطَىٰ كُلَّ شَىْءٍ خَلْقَهُۥ ثُمَّ هَدَىٰ﴿٥٠﴾

মূসা বলল, ‘আমাদের প্রতিপালক তিনি যিনি সকল (সৃষ্ট) বস্তুকে আকৃতি দান করেছেন, অতঃপর পথ প্রদর্শন করেছেন।’

—
পূর্ববর্তী আয়াতMaryamপরবর্তী আয়াতAl-Anbya