কন্টেন্টে যান
NurVerse
পবিত্র কুরআননামাজের সময়ক্যালেন্ডারহাদিসদোয়া
Ad
Ad
Ad
Ad
NurVerse

কুরআন পড়ুন, নামাজের সময় ট্র্যাক করুন, দোয়া করুন এবং আপনার ইসলামি জীবন সমৃদ্ধ করুন।

© 2026 NurVerse. সকল অধিকার সংরক্ষিত।

অ্যাপ ইনস্টল করুনযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিব্যবহারের শর্তাবলী
সূরার তালিকা
মুসহাফ ভিউ
0/99

الحجر

Al-Hijr

Hicr

মাক্কী·99টি আয়াত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

15:1
পারা 14
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

الٓر ۚ تِلْكَ ءَايَـٰتُ ٱلْكِتَـٰبِ وَقُرْءَانٍ مُّبِينٍ﴿١﴾

আলিফ-লাম-র, এগুলো কিতাবের এবং সুস্পষ্ট কুরআনে আয়াতসমূহ।

—
15:2
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

رُّبَمَا يَوَدُّ ٱلَّذِينَ كَفَرُوا۟ لَوْ كَانُوا۟ مُسْلِمِينَ﴿٢﴾

এমন একটা সময় আসবে যখন কাফিরগণ আক্ষেপ করে বলবে, ‘হায়, আমরা যদি মুসলিম হয়ে যেতাম!’

—
15:3
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

ذَرْهُمْ يَأْكُلُوا۟ وَيَتَمَتَّعُوا۟ وَيُلْهِهِمُ ٱلْأَمَلُ ۖ فَسَوْفَ يَعْلَمُونَ﴿٣﴾

ছেড়ে দাও ওদেরকে, ওরা খেতে থাক আর ভোগ করতে থাক, আর (মিথ্যে) আশা ওদেরকে উদাসীনতায় ডুবিয়ে রাখুক, শীঘ্রই ওরা (ওদের ‘আমালের পরিণতি) জানতে পারবে।

—
15:4
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

وَمَآ أَهْلَكْنَا مِن قَرْيَةٍ إِلَّا وَلَهَا كِتَابٌ مَّعْلُومٌ﴿٤﴾

আমি যে জনপদকেই ধ্বংস করেছি তাদের জন্য ছিল লিখিত একটা নির্দিষ্ট সময়।

—
15:5
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

مَّا تَسْبِقُ مِنْ أُمَّةٍ أَجَلَهَا وَمَا يَسْتَـْٔخِرُونَ﴿٥﴾

কোন জাতিই তাদের নির্দিষ্ট কালকে অগ্র-পশ্চাৎ করতে পারে না।

—
15:6
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

وَقَالُوا۟ يَـٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِى نُزِّلَ عَلَيْهِ ٱلذِّكْرُ إِنَّكَ لَمَجْنُونٌ﴿٦﴾

তারা বলে, ‘ওহে ঐ ব্যক্তি যার প্রতি কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে! তুমি তো অবশ্যই পাগল।

—
15:7
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

لَّوْ مَا تَأْتِينَا بِٱلْمَلَـٰٓئِكَةِ إِن كُنتَ مِنَ ٱلصَّـٰدِقِينَ﴿٧﴾

তুমি সত্যবাদী হলে আমাদের নিকট ফেরেশতাদের হাজির করছ না কেন?’

—
15:8
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

مَا نُنَزِّلُ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةَ إِلَّا بِٱلْحَقِّ وَمَا كَانُوٓا۟ إِذًا مُّنظَرِينَ﴿٨﴾

যথাযথ কারণ ছাড়া আমি ফেরেশতা পাঠাই না, পাঠালে কাফিরদেরকে আর কোন অবকাশ দেয়া হবে না।

—
15:9
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

إِنَّا نَحْنُ نَزَّلْنَا ٱلذِّكْرَ وَإِنَّا لَهُۥ لَحَـٰفِظُونَ﴿٩﴾

নিশ্চয় আমিই কুরআন নাযিল করেছি আর অবশ্যই আমি তার সংরক্ষক।

—
15:10
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ فِى شِيَعِ ٱلْأَوَّلِينَ﴿١٠﴾

তোমার পূর্ববর্তী জাতিগুলোর কাছেও আমি রসূল পাঠিয়েছিলাম।

—
15:11
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

وَمَا يَأْتِيهِم مِّن رَّسُولٍ إِلَّا كَانُوا۟ بِهِۦ يَسْتَهْزِءُونَ﴿١١﴾

তাদের কাছে এমন কোন রসূল আসেনি যাকে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেনি।

—
15:12
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

كَذَٰلِكَ نَسْلُكُهُۥ فِى قُلُوبِ ٱلْمُجْرِمِينَ﴿١٢﴾

এভাবে আমি এ রকম আচরণ পাপীদের অন্তরে বদ্ধমূল করে দেই।

—
15:13
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

لَا يُؤْمِنُونَ بِهِۦ ۖ وَقَدْ خَلَتْ سُنَّةُ ٱلْأَوَّلِينَ﴿١٣﴾

তারা এর প্রতি ঈমান আনবে না, পূর্ববর্তী লোকেদেরও এ নিয়ম-নীতি চলে এসেছে।

—
15:14
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

وَلَوْ فَتَحْنَا عَلَيْهِم بَابًا مِّنَ ٱلسَّمَآءِ فَظَلُّوا۟ فِيهِ يَعْرُجُونَ﴿١٤﴾

যদি তাদের জন্য আকাশের দরজা খুলে দেয়া হত, আর তারা তাতে উঠতে থাকত,

—
15:15
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 262

لَقَالُوٓا۟ إِنَّمَا سُكِّرَتْ أَبْصَـٰرُنَا بَلْ نَحْنُ قَوْمٌ مَّسْحُورُونَ﴿١٥﴾

তারা অবশ্যই বলত, ‘আমাদের চোখকে বাঁধিয়ে দেয়া হয়েছে, বরং আমাদের উপর যাদু করা হয়েছে।’

—
15:16
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَلَقَدْ جَعَلْنَا فِى ٱلسَّمَآءِ بُرُوجًا وَزَيَّنَّـٰهَا لِلنَّـٰظِرِينَ﴿١٦﴾

আমি আকাশে গ্রহ-নক্ষত্র সৃষ্টি করেছি আর দর্শকদের জন্য তা সুসজ্জিত করে দিয়েছি।

—
15:17
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَحَفِظْنَـٰهَا مِن كُلِّ شَيْطَـٰنٍ رَّجِيمٍ﴿١٧﴾

আর প্রত্যেক অভিশপ্ত শয়ত্বান থেকে সেগুলোকে সুরক্ষিত করে দিয়েছি।

—
15:18
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

إِلَّا مَنِ ٱسْتَرَقَ ٱلسَّمْعَ فَأَتْبَعَهُۥ شِهَابٌ مُّبِينٌ﴿١٨﴾

কিন্তু কেউ চুরি করে (খবর) শুনতে চাইলে উজ্জ্বল অগ্নিশিখা তার পশ্চাদ্ধাবণ করে।

—
15:19
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَٱلْأَرْضَ مَدَدْنَـٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ وَأَنۢبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ شَىْءٍ مَّوْزُونٍ﴿١٩﴾

আর পৃথিবী, আমি সেটাকে বিছিয়ে দিয়েছি আর তাতে পর্বতরাজি সংস্থাপিত করেছি আর তাতে সকল বস্তু উদগত করেছি যথাযথ পরিমাণে।

—
15:20
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَجَعَلْنَا لَكُمْ فِيهَا مَعَـٰيِشَ وَمَن لَّسْتُمْ لَهُۥ بِرَٰزِقِينَ﴿٢٠﴾

আর তাতে তোমাদের জীবন ধারণের ব্যবস্থা করেছি আর তাদেরও যাদের রিযকদাতা তোমরা নও।

—
15:21
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَإِن مِّن شَىْءٍ إِلَّا عِندَنَا خَزَآئِنُهُۥ وَمَا نُنَزِّلُهُۥٓ إِلَّا بِقَدَرٍ مَّعْلُومٍ﴿٢١﴾

এমন কোন জিনিসই নেই যার ভান্ডার আমার কাছে নেই, কিন্তু আমি সেগুলো আমার জ্ঞান মোতাবেক নির্দিষ্ট পরিমাণে সরবরাহ করে থাকি।

—
15:22
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَأَرْسَلْنَا ٱلرِّيَـٰحَ لَوَٰقِحَ فَأَنزَلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً فَأَسْقَيْنَـٰكُمُوهُ وَمَآ أَنتُمْ لَهُۥ بِخَـٰزِنِينَ﴿٢٢﴾

আমি বৃষ্টি-সঞ্চারী বাতাস প্রেরণ করি, অতঃপর আসমান থেকে পানি বর্ষণ করি আর তা তোমাদের পান করাই, তোমরা তার স্টোর কীপার নও।

—
15:23
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَإِنَّا لَنَحْنُ نُحْىِۦ وَنُمِيتُ وَنَحْنُ ٱلْوَٰرِثُونَ﴿٢٣﴾

আমিই জীবন দেই আর মৃত্যু ঘটাই আর আমিই চূড়ান্ত উত্তরাধিকারী।

—
15:24
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَقْدِمِينَ مِنكُمْ وَلَقَدْ عَلِمْنَا ٱلْمُسْتَـْٔخِرِينَ﴿٢٤﴾

তোমাদের মধ্যেকার যারা পূর্বে গত হয়ে গেছে আমি তাদেরকে জানি আর পরে যারা আসবে তাদেরকেও জানি।

—
15:25
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَإِنَّ رَبَّكَ هُوَ يَحْشُرُهُمْ ۚ إِنَّهُۥ حَكِيمٌ عَلِيمٌ﴿٢٥﴾

অবশ্যই তোমার প্রতিপালক তিনি সববাইকে একত্রিত করবেন, তিনি মহাবিজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ।

—
15:26
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ مِن صَلْصَـٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ﴿٢٦﴾

আমি কাল শুষ্ক ঠনঠনে মাটির গাড়া থেকে মানুষকে সৃষ্টি করেছি।

—
15:27
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَٱلْجَآنَّ خَلَقْنَـٰهُ مِن قَبْلُ مِن نَّارِ ٱلسَّمُومِ﴿٢٧﴾

এর পূর্বে আমি জ্বীনকে আগুনের লেলিহান আগুন থেকে সৃষ্টি করেছি।

—
15:28
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَـٰٓئِكَةِ إِنِّى خَـٰلِقٌۢ بَشَرًا مِّن صَلْصَـٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ﴿٢٨﴾

স্মরণ কর যখন তোমার প্রতিপালক ফেরেশতাদেরকে বলেছিলেন, ‘আমি কাল শুষ্ক ঠনঠনে মাটির কাদা থেকে মানুষ সৃষ্টি করছি।

—
15:29
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

فَإِذَا سَوَّيْتُهُۥ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُوا۟ لَهُۥ سَـٰجِدِينَ﴿٢٩﴾

আমি যখন তাকে পূর্ণ মাত্রায় বানিয়ে দেব আর তাতে আমার পক্ষ হতে রূহ ফুঁকে দেব, তখন তোমরা তার প্রতি সাজদায় পড়ে যেও।

—
15:30
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

فَسَجَدَ ٱلْمَلَـٰٓئِكَةُ كُلُّهُمْ أَجْمَعُونَ﴿٣٠﴾

তখন ফেরেশতারা সবাই সাজদাহ করল।

—
15:31
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 263

إِلَّآ إِبْلِيسَ أَبَىٰٓ أَن يَكُونَ مَعَ ٱلسَّـٰجِدِينَ﴿٣١﴾

ইবলীস বাদে, সে সাজদাহ্কারীদের দলভুক্ত হতে অস্বীকৃতি জানাল।

—
15:32
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ يَـٰٓإِبْلِيسُ مَا لَكَ أَلَّا تَكُونَ مَعَ ٱلسَّـٰجِدِينَ﴿٣٢﴾

আল্লাহ বলবেন, ‘হে ইবলীস! তোমার কী হল যে তুমি সাজদাহকারীদের দলভুক্ত হলে না?’

—
15:33
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ لَمْ أَكُن لِّأَسْجُدَ لِبَشَرٍ خَلَقْتَهُۥ مِن صَلْصَـٰلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ﴿٣٣﴾

ইবলীস বলল, ‘আমার কাজ নয় মানুষকে সাজদাহ্ করা যাকে তুমি পচা কর্দমের ঠনঠনে গাড়া থেকে সৃষ্টি করেছ।’

—
15:34
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ فَٱخْرُجْ مِنْهَا فَإِنَّكَ رَجِيمٌ﴿٣٤﴾

তিনি বললেন, ‘বেরিয়ে যাও এখান থেকে, কারণ তুমি হলে অভিশপ্ত।

—
15:35
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

وَإِنَّ عَلَيْكَ ٱللَّعْنَةَ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلدِّينِ﴿٣٥﴾

বিচার দিবস পর্যন্ত তোমার উপর থাকল লা‘নত।’

—
15:36
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ رَبِّ فَأَنظِرْنِىٓ إِلَىٰ يَوْمِ يُبْعَثُونَ﴿٣٦﴾

সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত আমাকে সময় দিন।’

—
15:37
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ فَإِنَّكَ مِنَ ٱلْمُنظَرِينَ﴿٣٧﴾

তিনি বললেন, ‘তোমাকে সময় দেয়া হল

—
15:38
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْوَقْتِ ٱلْمَعْلُومِ﴿٣٨﴾

সেদিন পর্যন্ত যার নির্দিষ্ট ক্ষণ আমার জানা আছে।’

—
15:39
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ رَبِّ بِمَآ أَغْوَيْتَنِى لَأُزَيِّنَنَّ لَهُمْ فِى ٱلْأَرْضِ وَلَأُغْوِيَنَّهُمْ أَجْمَعِينَ﴿٣٩﴾

সে বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! যেহেতু আপনি আমাকে ভ্রান্তপথে ঠেলে দিলেন, কাজেই আমিও পৃথিবীতে মানুষের কাছে পাপকাজকে অবশ্য অবশ্যই সুশোভিত করে দেখাব আর তাদের সবাইকে অবশ্য অবশ্যই বিভ্রান্ত করব।

—
15:40
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

إِلَّا عِبَادَكَ مِنْهُمُ ٱلْمُخْلَصِينَ﴿٤٠﴾

কিন্তু তাদের মধ্যে আপনার বাছাই করা বান্দাহদের ছাড়া।’

—
15:41
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

قَالَ هَـٰذَا صِرَٰطٌ عَلَىَّ مُسْتَقِيمٌ﴿٤١﴾

তিনি বললেন- (আমার বাছাই করা বান্দারা যে পথে চলছে) এটাই আমার কাছে পৌঁছার সরল সোজা পথ।

—
15:42
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

إِنَّ عِبَادِى لَيْسَ لَكَ عَلَيْهِمْ سُلْطَـٰنٌ إِلَّا مَنِ ٱتَّبَعَكَ مِنَ ٱلْغَاوِينَ﴿٤٢﴾

আমার প্রকৃত বান্দাহ্দের উপর তোমার কোন আধিপত্য চলবে না, তোমাকে যারা অনুসরণ করে সেই বিভ্রান্তরা ছাড়া।

—
15:43
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

وَإِنَّ جَهَنَّمَ لَمَوْعِدُهُمْ أَجْمَعِينَ﴿٤٣﴾

আর তাদের সবার জন্য অবশ্যই ওয়া‘দাকৃত স্থান হচ্ছে জাহান্নাম।

—
15:44
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

لَهَا سَبْعَةُ أَبْوَٰبٍ لِّكُلِّ بَابٍ مِّنْهُمْ جُزْءٌ مَّقْسُومٌ﴿٤٤﴾

তার সাতটা দরজা আছে। প্রত্যেক দরজার জন্য তাদের মধ্যে শ্রেণী নির্দিষ্ট আছে।’

—
15:45
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

إِنَّ ٱلْمُتَّقِينَ فِى جَنَّـٰتٍ وَعُيُونٍ﴿٤٥﴾

অবশ্যই মুত্তাকীরা থাকবে জান্নাতে আর নির্ঝরিণীগুলোর মধ্যে।

—
15:46
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

ٱدْخُلُوهَا بِسَلَـٰمٍ ءَامِنِينَ﴿٤٦﴾

তাদেরকে বলা হবে, ‘পূর্ণ শান্তি ও নিরাপত্তার সাথে তোমরা এতে প্রবেশ কর।’

—
15:47
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

وَنَزَعْنَا مَا فِى صُدُورِهِم مِّنْ غِلٍّ إِخْوَٰنًا عَلَىٰ سُرُرٍ مُّتَقَـٰبِلِينَ﴿٤٧﴾

তাদের অন্তর থেকে আমি বিদ্বেষ দূরীভূত করব, তারা ভ্রাতৃবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আসনে মুখোমুখী সমাসীন হবে।

—
15:48
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

لَا يَمَسُّهُمْ فِيهَا نَصَبٌ وَمَا هُم مِّنْهَا بِمُخْرَجِينَ﴿٤٨﴾

কোন ক্লান্তি তাদেরকে স্পর্শ করবে না, আর সেখান থেকে তারা কখনও বহিষ্কৃতও হবে না।

—
15:49
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

۞ نَبِّئْ عِبَادِىٓ أَنِّىٓ أَنَا ٱلْغَفُورُ ٱلرَّحِيمُ﴿٤٩﴾

আমার বান্দাহদেরকে সংবাদ দাও যে, আমি বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু।

—
15:50
পারা 14 · হিযব 27 · পৃষ্ঠা 264

وَأَنَّ عَذَابِى هُوَ ٱلْعَذَابُ ٱلْأَلِيمُ﴿٥٠﴾

আর আমার শাস্তি- তা বড়ই ভয়াবহ শাস্তি।

—
পূর্ববর্তী আয়াতIbrahimপরবর্তী আয়াতAn-Nahl