কন্টেন্টে যান
NurVerse
পবিত্র কুরআননামাজের সময়ক্যালেন্ডারহাদিসদোয়া
Ad
Ad
Ad
Ad
NurVerse

কুরআন পড়ুন, নামাজের সময় ট্র্যাক করুন, দোয়া করুন এবং আপনার ইসলামি জীবন সমৃদ্ধ করুন।

© 2026 NurVerse. সকল অধিকার সংরক্ষিত।

অ্যাপ ইনস্টল করুনযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিব্যবহারের শর্তাবলী
সূরার তালিকা
মুসহাফ ভিউ
0/45

ق

Qaf

Kâf

মাক্কী·45টি আয়াত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

50:1
পারা 26
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

قٓ ۚ وَٱلْقُرْءَانِ ٱلْمَجِيدِ﴿١﴾

ক্বাফ, শপথ মাহাত্ম্যপূর্ণ কুরআনের (যে তুমি আল্লাহর রসূল।)

—
50:2
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

بَلْ عَجِبُوٓا۟ أَن جَآءَهُم مُّنذِرٌ مِّنْهُمْ فَقَالَ ٱلْكَـٰفِرُونَ هَـٰذَا شَىْءٌ عَجِيبٌ﴿٢﴾

বরং এ লোকেরা বিস্মিত হচ্ছে যে, তাদের কাছে তাদেরই মধ্য হতে একজন সর্তককারী এসেছে। যার কারণে কাফিররা বলে- ‘এতো বড়ই আশ্চর্যজনক ব্যাপার!

—
50:3
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

أَءِذَا مِتْنَا وَكُنَّا تُرَابًا ۖ ذَٰلِكَ رَجْعٌۢ بَعِيدٌ﴿٣﴾

আমরা যখন মরে যাব আর মাটি হয়ে যাব (তখন আমাদেরকে আবার আল্লাহর কাছে ফিরে যেতে হবে)? এ ফিরে যাওয়াটা তো বহু দূরের ব্যাপার।

—
50:4
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

قَدْ عَلِمْنَا مَا تَنقُصُ ٱلْأَرْضُ مِنْهُمْ ۖ وَعِندَنَا كِتَـٰبٌ حَفِيظٌۢ﴿٤﴾

আমি জানি মাটি তাদের কতটুকু ক্ষয় করে আর আমার কাছে আছে এক কিতাব যা (সব কিছুর পূর্ণ বিবরণ) সংরক্ষণ করে।

—
50:5
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

بَلْ كَذَّبُوا۟ بِٱلْحَقِّ لَمَّا جَآءَهُمْ فَهُمْ فِىٓ أَمْرٍ مَّرِيجٍ﴿٥﴾

তাদের কাছে সত্য আসার পর তারা তা অস্বীকার করেছে, কাজেই এখন তারা সংশয়ের মধ্যে পড়ে আছে।

—
50:6
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

أَفَلَمْ يَنظُرُوٓا۟ إِلَى ٱلسَّمَآءِ فَوْقَهُمْ كَيْفَ بَنَيْنَـٰهَا وَزَيَّنَّـٰهَا وَمَا لَهَا مِن فُرُوجٍ﴿٦﴾

তারা কি তাদের উপরে অবস্থিত আকাশের দিকে তাকায় না, কীভাবে আমি তাকে বানিয়েছি, তাকে সুশোভিত করেছি আর তাতে নেই কোন ফাটল?

—
50:7
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

وَٱلْأَرْضَ مَدَدْنَـٰهَا وَأَلْقَيْنَا فِيهَا رَوَٰسِىَ وَأَنۢبَتْنَا فِيهَا مِن كُلِّ زَوْجٍۭ بَهِيجٍ﴿٧﴾

আর পৃথিবী- তাকে করেছি বিস্তৃত আর তাতে সংস্থাপিত করেছি পর্বতরাজি আর তাতে উদ্গত করেছি যাবতীয় সুদৃশ্য উদ্ভিদরাজি।

—
50:8
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

تَبْصِرَةً وَذِكْرَىٰ لِكُلِّ عَبْدٍ مُّنِيبٍ﴿٨﴾

প্রতিটি (আল্লাহ) অভিমুখী বান্দাহর জন্য চক্ষু উন্মোচনকারী ও উপদেশ হিসেবে।

—
50:9
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

وَنَزَّلْنَا مِنَ ٱلسَّمَآءِ مَآءً مُّبَـٰرَكًا فَأَنۢبَتْنَا بِهِۦ جَنَّـٰتٍ وَحَبَّ ٱلْحَصِيدِ﴿٩﴾

আমি আকাশ থেকে বর্ষণ করি কল্যাণকর বৃষ্টি আর তা দিয়ে সৃষ্টি করি বাগান আর মাড়াইযোগ্য শস্যদানা,

—
50:10
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

وَٱلنَّخْلَ بَاسِقَـٰتٍ لَّهَا طَلْعٌ نَّضِيدٌ﴿١٠﴾

আর উঁচু খেজুর গাছ যাতে আছে খেজুর গুচ্ছ স্তরে স্তরে সাজানো।

—
50:11
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

رِّزْقًا لِّلْعِبَادِ ۖ وَأَحْيَيْنَا بِهِۦ بَلْدَةً مَّيْتًا ۚ كَذَٰلِكَ ٱلْخُرُوجُ﴿١١﴾

বান্দাহদের রিযক হিসেবে। আর আমি পানি দিয়ে জীবন্ত করে তুলি মৃত যমীনকে। এভাবেই বের করা হবে (ক্ববর থেকে মানুষদের)।

—
50:12
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

كَذَّبَتْ قَبْلَهُمْ قَوْمُ نُوحٍ وَأَصْحَـٰبُ ٱلرَّسِّ وَثَمُودُ﴿١٢﴾

এদের আগে সত্যকে মেনে নিতে অস্বীকার করেছিল নূহের জাতি, রাস্‌স ও সামুদ জাতি,

—
50:13
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

وَعَادٌ وَفِرْعَوْنُ وَإِخْوَٰنُ لُوطٍ﴿١٣﴾

‘আদ, ফেরাউন ও লূত জাতি,

—
50:14
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

وَأَصْحَـٰبُ ٱلْأَيْكَةِ وَقَوْمُ تُبَّعٍ ۚ كُلٌّ كَذَّبَ ٱلرُّسُلَ فَحَقَّ وَعِيدِ﴿١٤﴾

আইকাবাসী ও তুব্বার জাতি। তারা সকলেই রসূলদেরকে মিথ্যা বলে অস্বীকার করেছিল, ফলে তাদের উপর আমার শাস্তি অবধারিত হয়েছিল।

—
50:15
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 518

أَفَعَيِينَا بِٱلْخَلْقِ ٱلْأَوَّلِ ۚ بَلْ هُمْ فِى لَبْسٍ مِّنْ خَلْقٍ جَدِيدٍ﴿١٥﴾

আমরা কি প্রথমবার সৃষ্টি করে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি? বস্তুতঃ তারা নতুন সৃষ্টি বিষয়ে সন্দেহে পড়ে আছে।

—
50:16
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَـٰنَ وَنَعْلَمُ مَا تُوَسْوِسُ بِهِۦ نَفْسُهُۥ ۖ وَنَحْنُ أَقْرَبُ إِلَيْهِ مِنْ حَبْلِ ٱلْوَرِيدِ﴿١٦﴾

আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি, আর তার প্রবৃত্তি তাকে (নিত্য নতুন) কী কুমন্ত্রণা দেয় তাও আমি জানি। আমি তার গলার শিরা থেকেও নিকটবর্তী।

—
50:17
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

إِذْ يَتَلَقَّى ٱلْمُتَلَقِّيَانِ عَنِ ٱلْيَمِينِ وَعَنِ ٱلشِّمَالِ قَعِيدٌ﴿١٧﴾

(তদুপরি) দু’জন লেখক ডানে ও বামে বসে (মানুষের ‘আমাল) লিখছে।

—
50:18
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ﴿١٨﴾

যে কথাই মানুষ উচ্চারণ করে (তা সংরক্ষণের জন্য) তার নিকটে একজন সদা তৎপর প্রহরী আছে।

—
50:19
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَجَآءَتْ سَكْرَةُ ٱلْمَوْتِ بِٱلْحَقِّ ۖ ذَٰلِكَ مَا كُنتَ مِنْهُ تَحِيدُ﴿١٩﴾

মৃত্যুর যন্ত্রণা প্রকৃতই আসবে যাত্থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য তুমি চেষ্টা করতে।

—
50:20
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَنُفِخَ فِى ٱلصُّورِ ۚ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْوَعِيدِ﴿٢٠﴾

অতঃপর সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে। সেটাই হল শাস্তির দিন (যে সম্পর্কে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছিল)।

—
50:21
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَجَآءَتْ كُلُّ نَفْسٍ مَّعَهَا سَآئِقٌ وَشَهِيدٌ﴿٢١﴾

(সেদিন) প্রত্যেক ব্যক্তি আসবে এমন অবস্থায় যে একজন (ফেরেশতা) তাকে হাঁকিয়ে নিয়ে আসবে আর একজন (ফেরেশতা) থাকবে সাক্ষ্যদাতা হিসেবে।

—
50:22
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

لَّقَدْ كُنتَ فِى غَفْلَةٍ مِّنْ هَـٰذَا فَكَشَفْنَا عَنكَ غِطَآءَكَ فَبَصَرُكَ ٱلْيَوْمَ حَدِيدٌ﴿٢٢﴾

(বলা হবে) ‘এ দিন সম্পর্কে তুমি ছিলে উদাসীন। তোমার সামনে যে পর্দা ছিল তা আমি সরিয়ে দিয়েছি। (সে কারণে) তোমার দৃষ্টি আজ খুব তীক্ষ্ম।

—
50:23
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَقَالَ قَرِينُهُۥ هَـٰذَا مَا لَدَىَّ عَتِيدٌ﴿٢٣﴾

তার সঙ্গী (ফেরেশতা) বলবে ‘এই যে আমার কাছে (‘আমালনামা) প্রস্তুত।’

—
50:24
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

أَلْقِيَا فِى جَهَنَّمَ كُلَّ كَفَّارٍ عَنِيدٍ﴿٢٤﴾

(নির্দেশ দেয়া হবে) তোমরা উভয়ে প্রত্যেক অবাধ্য কাফিরকে নিক্ষেপ কর জাহান্নামে।

—
50:25
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ مُّرِيبٍ﴿٢٥﴾

(যারা ছিল) কল্যাণের প্রতিবন্ধক, সীমালঙ্ঘনকারী ও সন্দিগ্ধ চিত্ত।

—
50:26
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

ٱلَّذِى جَعَلَ مَعَ ٱللَّهِ إِلَـٰهًا ءَاخَرَ فَأَلْقِيَاهُ فِى ٱلْعَذَابِ ٱلشَّدِيدِ﴿٢٦﴾

যে আল্লাহর সঙ্গে অন্যকে ইলাহ্ বানিয়ে নিয়েছিল। কাজেই তোমরা উভয়ে তাকে কঠিন ‘আযাবে নিক্ষেপ কর।

—
50:27
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

۞ قَالَ قَرِينُهُۥ رَبَّنَا مَآ أَطْغَيْتُهُۥ وَلَـٰكِن كَانَ فِى ضَلَـٰلٍۭ بَعِيدٍ﴿٢٧﴾

তার সঙ্গী বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমি তাকে বিদ্রোহী বানাইনি বরং সে নিজেই ছিল সুদূর গুমরাহীর মধ্যে।’

—
50:28
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

قَالَ لَا تَخْتَصِمُوا۟ لَدَىَّ وَقَدْ قَدَّمْتُ إِلَيْكُم بِٱلْوَعِيدِ﴿٢٨﴾

আল্লাহ বলবেন, ‘আমার সামনে বাদানুবাদ করো না, আমি আগেই তোমাদেরকে সতর্ক করে দিয়েছিলাম।

—
50:29
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

مَا يُبَدَّلُ ٱلْقَوْلُ لَدَىَّ وَمَآ أَنَا۠ بِظَلَّـٰمٍ لِّلْعَبِيدِ﴿٢٩﴾

আমার কথা কক্ষনো বদলে না, আর আমি আমার বান্দাহদের প্রতি যুলমকারীও নই।

—
50:30
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

يَوْمَ نَقُولُ لِجَهَنَّمَ هَلِ ٱمْتَلَأْتِ وَتَقُولُ هَلْ مِن مَّزِيدٍ﴿٣٠﴾

সে দিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞেস করব, ‘তুমি কি পরিপূর্ণ হয়েছ’? সে বলবে, ‘আরো বেশি আছে কি?’

—
50:31
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

وَأُزْلِفَتِ ٱلْجَنَّةُ لِلْمُتَّقِينَ غَيْرَ بَعِيدٍ﴿٣١﴾

মুত্তাক্বীদের জন্য জান্নাতকে নিকটে আনা হবে- তা মোটেই দূরে থাকবে না।

—
50:32
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

هَـٰذَا مَا تُوعَدُونَ لِكُلِّ أَوَّابٍ حَفِيظٍ﴿٣٢﴾

(বলা হবে) ‘এ হল তাই যার ও‘য়াদা তোমাদেরকে দেয়া হয়েছিল- প্রত্যেক আল্লাহ অভিমুখী ও (গুনাহ থেকে) খুব বেশি হিফাযাতকারীর জন্য।

—
50:33
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

مَّنْ خَشِىَ ٱلرَّحْمَـٰنَ بِٱلْغَيْبِ وَجَآءَ بِقَلْبٍ مُّنِيبٍ﴿٣٣﴾

যে না দেখেই দয়াময় (আল্লাহকে) ভয় করত, আর আল্লাহর নির্দেশ পালনের জন্য বিনয়ে অবনত অন্তর নিয়ে উপস্থিত হত।

—
50:34
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

ٱدْخُلُوهَا بِسَلَـٰمٍ ۖ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْخُلُودِ﴿٣٤﴾

(তাদেরকে বলা হবে) ‘শান্তির সঙ্গে এতে প্রবেশ কর, এটা চিরস্থায়ী জীবনের দিন।’

—
50:35
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 519

لَهُم مَّا يَشَآءُونَ فِيهَا وَلَدَيْنَا مَزِيدٌ﴿٣٥﴾

সেখানে তাদের জন্য তা-ই আছে যা তারা ইচ্ছে করবে, আর আমার কাছে (তাছাড়াও) আরো বেশি আছে।

—
50:36
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

وَكَمْ أَهْلَكْنَا قَبْلَهُم مِّن قَرْنٍ هُمْ أَشَدُّ مِنْهُم بَطْشًا فَنَقَّبُوا۟ فِى ٱلْبِلَـٰدِ هَلْ مِن مَّحِيصٍ﴿٣٦﴾

তাদের পূর্বে আমি কত জাতিকে ধ্বংস করে দিয়েছি যারা শক্তিতে ছিল তাদের চেয়ে প্রবল, যার ফলে তারা দুনিয়া চষে বেড়াত; তারা পালানোর কোন জায়গা পেয়েছিল কি?

—
50:37
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

إِنَّ فِى ذَٰلِكَ لَذِكْرَىٰ لِمَن كَانَ لَهُۥ قَلْبٌ أَوْ أَلْقَى ٱلسَّمْعَ وَهُوَ شَهِيدٌ﴿٣٧﴾

এতে অবশ্যই উপদেশ রয়েছে তার জন্য যার আছে (বোধশক্তিসম্পন্ন) অন্তর কিংবা যে খুব মন দিয়ে কথা শুনে।

—
50:38
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

وَلَقَدْ خَلَقْنَا ٱلسَّمَـٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضَ وَمَا بَيْنَهُمَا فِى سِتَّةِ أَيَّامٍ وَمَا مَسَّنَا مِن لُّغُوبٍ﴿٣٨﴾

আকাশ, যমীন আর এ দু’য়ের মাঝে যা আছে তা আমি ছ’ দিনে সৃষ্টি করেছি; ক্লান্তি আমাকে স্পর্শ করেনি। (আমি সকল মানুষকে বিচারের জন্য হাজির করবই)।

—
50:39
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

فَٱصْبِرْ عَلَىٰ مَا يَقُولُونَ وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ ٱلشَّمْسِ وَقَبْلَ ٱلْغُرُوبِ﴿٣٩﴾

কাজেই তারা (মিথ্যা, উপহাসপূর্ণ ও অপমানজনক কথা) যা বলে তাতে তুমি ধৈর্য ধারণ কর আর সূর্যোদয়ের পূর্বে আর সূর্যাস্তের পূর্বে তোমার প্রতিপালকের মহিমা ও প্রশংসা ঘোষণা কর।

—
50:40
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

وَمِنَ ٱلَّيْلِ فَسَبِّحْهُ وَأَدْبَـٰرَ ٱلسُّجُودِ﴿٤٠﴾

আর তাঁর প্রশংসা ঘোষণা কর রাত্রির একাংশে আর নামাযের পরে।

—
50:41
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

وَٱسْتَمِعْ يَوْمَ يُنَادِ ٱلْمُنَادِ مِن مَّكَانٍ قَرِيبٍ﴿٤١﴾

আর শোন, যেদিন এক ঘোষণাকারী (প্রত্যেক ব্যক্তির) নিকটবর্তী স্থান থেকে ডাক দিবে,

—
50:42
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

يَوْمَ يَسْمَعُونَ ٱلصَّيْحَةَ بِٱلْحَقِّ ۚ ذَٰلِكَ يَوْمُ ٱلْخُرُوجِ﴿٤٢﴾

যেদিন সমস্ত মানুষ প্রকৃতই শুনতে পাবে এক (ভয়ংকর) ধ্বনি। সেদিনটি হবে (ভূগর্ভ থেকে সকল আত্মার) বের হওয়ার দিন।

—
50:43
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

إِنَّا نَحْنُ نُحْىِۦ وَنُمِيتُ وَإِلَيْنَا ٱلْمَصِيرُ﴿٤٣﴾

আমিই জীবন দেই, আমিই মুত্যু দেই, আর আমার কাছেই (সব্বাইকে) ফিরে আসতে হবে।

—
50:44
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

يَوْمَ تَشَقَّقُ ٱلْأَرْضُ عَنْهُمْ سِرَاعًا ۚ ذَٰلِكَ حَشْرٌ عَلَيْنَا يَسِيرٌ﴿٤٤﴾

যেদিন পৃথিবী দীর্ণ বিদীর্ণ হবে, আর মানুষ ছুটে যাবে (হাশরের পানে)। এই একত্রীকরণ আমার জন্য খুবই সহজ।

—
50:45
পারা 26 · হিযব 52 · পৃষ্ঠা 520

نَّحْنُ أَعْلَمُ بِمَا يَقُولُونَ ۖ وَمَآ أَنتَ عَلَيْهِم بِجَبَّارٍ ۖ فَذَكِّرْ بِٱلْقُرْءَانِ مَن يَخَافُ وَعِيدِ﴿٤٥﴾

তারা (তোমার বিরুদ্ধে) যা বলে তা আমি ভাল করেই জানি, তুমি তাদের উপর জবরদস্তিকারী নও। কাজেই যে আমার শাস্তির ভয়প্রদর্শনকে ভয় করে, তাকে তুমি কুরআনের সাহায্যে উপদেশ দাও।

—
পূর্ববর্তী আয়াতAl-Hujuratপরবর্তী আয়াতAdh-Dhariyat