11:118তোমার প্রতিপালক চাইলে মানুষকে অবশ্যই এক জাতি করতে পারতেন, কিন্তু তারা মতভেদ করতেই থাকবে।
11:119তবে তোমার প্রতিপালক যাদের প্রতি দয়া করেন তারা (মতবিরোধ করবে) না। এই উদ্দেশ্যেই তিনি তাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, আর তোমার প্রতিপালকের এ বাণী পূর্ণ হবেই যে, আমি জাহান্নামকে জ্বিন আর মানুষ দিয়ে অবশ্য অবশ্যই ভরে দেব।
11:120রসূলদের যে সব সংবাদসমূহ আমি তোমার কাছে বর্ণনা করলাম, এর দ্বারা আমি তোমার দিলকে মযবুত করছি, এতে তুমি প্রকৃত সত্যের জ্ঞান লাভ করবে আর মু’মিনদের জন্য এটা উপদেশ ও স্মারক।
11:121যারা ঈমান আনে না তাদেরকে বল, ‘তোমরা নিজেদের মত ও পথে থেকে কাজ করে যাও, আমরা (আমাদের) কাজ করছি।
11:122আর তোমরা অপেক্ষা কর, আমরাও অপেক্ষায় থাকলাম।’
11:123আসমানসমূহ ও যমীনের অদৃশ্যের জ্ঞান কেবল আল্লাহরই রয়েছে। সকল বিষয়ই (চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য) তাঁর কাছে ফিরে যায়, কাজেই তুমি তাঁরই ‘ইবাদাত কর, আর তাঁর উপরই নির্ভর কর, তোমরা যা কিছু করছ, সে সম্পর্কে তোমার প্রতিপালক মোটেই বে-খবর নন।
12:1আলিফ, লাম-রা, এগুলো সুস্পষ্ট কিতাবের আয়াতসমূহ।
12:2আমি তা অবতীর্ণ করেছি, আরবী ভাষার কুরআন, যাতে তোমরা ভালভাবে বুঝতে পার।
12:3আমি তোমার কাছে সর্বোত্তম কাহিনী বর্ণনা করছি, এ কুরআন তোমার কাছে ওয়াহী যোগে পাঠিয়ে, যদিও এর পূর্বে তুমি না-জানা লোকদের মধ্যেই শামিল ছিলে।
12:4স্মরণ কর, ইউসুফ যখন তার পিতাকে বলেছিল, ‘হে আব্বাজান! আমি (স্বপ্নে) দেখেছি এগারটি তারকা আর সূর্য ও চন্দ্র; দেখলাম তারা আমাকে সাজদাহ করছে।’