42:52এভাবে (উপরোক্ত ৩টি উপায়েই) আমার নির্দেশের মূল শিক্ষাকে তোমার কাছে আমি ওয়াহী যোগে প্রেরণ করেছি। তুমি জানতে না কিতাব কী, ঈমান কী, কিন্তু আমি একে (অর্থাৎ ওয়াহী যোগে প্রেরিত কুরআনকে) করেছি আলো, যার সাহায্যে আমার বান্দাহদের মধ্য হতে যাকে ইচ্ছে আমি সঠিক পথে পরিচালিত করি। তুমি নিশ্চিতই (মানুষদেরকে) সঠিক পথের দিকে নির্দেশ করছ।
42:53যা কিছু আকাশে আছে আর যমীনে আছে এসবের মালিক যিনি সেই আল্লাহর পথে। শুনে রাখ! আল্লাহর কাছেই সব বিষয় ফিরে যায়।
43:1হা-মীম।
43:2শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।
43:3আমি ওটাকে করেছি আরবী ভাষার কুরআন যাতে তোমরা বুঝতে পারে।
43:4আমার কাছে তা উম্মুল কিতাবে (লাওহে মাহফুজে) সংরক্ষিত আছে, আর তা হল অতি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জ্ঞান-বিজ্ঞানে পূর্ণ।
43:5তোমরা এক সীমালঙ্ঘনকারী জাতি- এ কারণে কি আমি তোমাদের কাছ থেকে কুরআন প্রত্যাহার করে নেব?
43:6পূর্বেকার জাতিগুলোর মধ্যে আমি বহু রসূল পাঠিয়েছিলাম।
43:7তাদের কাছে এমন কোন নবী আসেনি যাকে তারা ঠাট্টা-বিদ্রূপ করেনি।
43:8আমি তাদেরকে ধ্বংস করেছি- যারা ছিল এদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। পূর্বের জাতিগুলোর উদাহরণ অতীত হয়ে গেছে।
43:9তুমি যদি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর- আকাশ ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্য অবশ্যই বলবে- ওগুলো প্রবল পরাক্রমশালী মহাজ্ঞানী আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন,
43:10যিনি তোমাদের জন্য যমীনকে করেছেন বিস্তৃত, আর তাতে তোমাদের জন্য বানিয়েছেন চলার পথ- যাতে তোমরা সঠিক পথ পেতে পার।