Âdiyât
بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ
وَٱلْعَـٰدِيَـٰتِ ضَبْحًا﴿١﴾
শপথ সেই (ঘোড়া) গুলোর যারা ঊর্ধ্বশ্বাসে দৌড়ায়,
—فَٱلْمُورِيَـٰتِ قَدْحًا﴿٢﴾
অতঃপর (নিজের ক্ষুরের) ঘর্ষণে আগুন ছুটায়,
—فَٱلْمُغِيرَٰتِ صُبْحًا﴿٣﴾
অতঃপর সকালে হঠাৎ আক্রমণ চালায়,
—فَأَثَرْنَ بِهِۦ نَقْعًا﴿٤﴾
আর সে সময় ধূলি উড়ায়,
—فَوَسَطْنَ بِهِۦ جَمْعًا﴿٥﴾
অতঃপর (শত্রু) দলের অভ্যন্তরে ঢুকে পড়ে (এভাবে মানুষ নিজের শক্তি-সামর্থ্য ও আল্লাহর এক অতি বড় নি‘মাত ঘোড়াকে অপরের সম্পদ লুণ্ঠন ও অন্যের প্রতি যুলমের কাজে ব্যবহার করে),
—إِنَّ ٱلْإِنسَـٰنَ لِرَبِّهِۦ لَكَنُودٌ﴿٦﴾
বস্তুতঃ মানুষ তার রব-এর প্রতি বড়ই অকৃতজ্ঞ।
—وَإِنَّهُۥ عَلَىٰ ذَٰلِكَ لَشَهِيدٌ﴿٧﴾
আর সে নিজেই (নিজের কাজ-কর্মের মাধ্যমে) এ বিষয়ের সাক্ষী।
—وَإِنَّهُۥ لِحُبِّ ٱلْخَيْرِ لَشَدِيدٌ﴿٨﴾
আর ধন-সম্পদের প্রতি অবশ্যই সে খুবই আসক্ত।
—۞ أَفَلَا يَعْلَمُ إِذَا بُعْثِرَ مَا فِى ٱلْقُبُورِ﴿٩﴾
সে কি জানে না, কবরে যা আছে তা যখন উত্থিত হবে,
—وَحُصِّلَ مَا فِى ٱلصُّدُورِ﴿١٠﴾
আর অন্তরে যা (কিছু লুকানো) আছে তা প্রকাশ করা হবে,
—إِنَّ رَبَّهُم بِهِمْ يَوْمَئِذٍ لَّخَبِيرٌۢ﴿١١﴾
নিঃসন্দেহে তাদের প্রতিপালক সেদিন তাদের সম্পর্কে পুরোপুরি অবহিত থাকবেন।
—