কন্টেন্টে যান
NurVerse
পবিত্র কুরআননামাজের সময়ক্যালেন্ডারহাদিসদোয়া
Ad
Ad
Ad
Ad
NurVerse

কুরআন পড়ুন, নামাজের সময় ট্র্যাক করুন, দোয়া করুন এবং আপনার ইসলামি জীবন সমৃদ্ধ করুন।

© 2026 NurVerse. সকল অধিকার সংরক্ষিত।

অ্যাপ ইনস্টল করুনযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিব্যবহারের শর্তাবলী
সূরার তালিকা
মুসহাফ ভিউ
0/52

القلم

Al-Qalam

Kalem

মাক্কী·52টি আয়াত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

68:1
পারা 29
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

نٓ ۚ وَٱلْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ﴿١﴾

নূন, কলমের শপথ আর লেখকেরা যা লেখে তার শপথ।

—
68:2
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

مَآ أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ﴿٢﴾

তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহে তুমি পাগল নও।

—
68:3
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ﴿٣﴾

তোমার জন্য অবশ্যই আছে অফুরন্ত পুরস্কার,

—
68:4
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ﴿٤﴾

নিশ্চয়ই তুমি মহান চরিত্রের উচ্চমার্গে উন্নীত।

—
68:5
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ﴿٥﴾

শীঘ্রই তুমি দেখতে পাবে আর তারাও দেখবে,

—
68:6
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

بِأَييِّكُمُ ٱلْمَفْتُونُ﴿٦﴾

তোমাদের মধ্যে কে পাগলামিতে আক্রান্ত।

—
68:7
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِۦ وَهُوَ أَعْلَمُ بِٱلْمُهْتَدِينَ﴿٧﴾

তোমার প্রতিপালক বেশি জানেন কে তাঁর পথ থেকে গুমরাহ হয়ে গেছে, আর সঠিক পথপ্রাপ্তদেরকেও তিনি ভাল করে জানেন।

—
68:8
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

فَلَا تُطِعِ ٱلْمُكَذِّبِينَ﴿٨﴾

কাজেই তুমি মিথ্যাবাদীদের কথা মান্য কর না।

—
68:9
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

وَدُّوا۟ لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ﴿٩﴾

তারা চায় যে, তুমি যদি নমনীয় হও, তবে তারাও নমনীয় হবে,

—
68:10
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ﴿١٠﴾

তুমি তার অনুসরণ কর না, যে বেশি বেশি কসম খায় আর যে (বার বার মিথ্যা কসম খাওয়ার কারণে মানুষের কাছে) লাঞ্ছিত।

—
68:11
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

هَمَّازٍ مَّشَّآءٍۭ بِنَمِيمٍ﴿١١﴾

যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের কাছে লাগিয়ে ফিরে,

—
68:12
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ﴿١٢﴾

যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সীমালঙ্ঘনকারী, পাপিষ্ঠ,

—
68:13
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

عُتُلٍّۭ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ﴿١٣﴾

কঠোর স্বভাব, তার উপরে আবার কুখ্যাত।

—
68:14
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ﴿١٤﴾

কারণ সে সম্পদ আর (অনেক) সন্তানাদির অধিকারী।

—
68:15
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ ءَايَـٰتُنَا قَالَ أَسَـٰطِيرُ ٱلْأَوَّلِينَ﴿١٥﴾

তার কাছে যখন আমার আয়াত পাঠ করা হয় তখন সে বলে, ‘‘এতো আগে কালের লোকেদের কিসসা কাহিনী মাত্র।

—
68:16
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 564

سَنَسِمُهُۥ عَلَى ٱلْخُرْطُومِ﴿١٦﴾

আমি তার শুঁড়ের উপর দাগ দিয়ে দিব (অর্থাৎ তাকে লাঞ্ছিত করব)।

—
68:17
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

إِنَّا بَلَوْنَـٰهُمْ كَمَا بَلَوْنَآ أَصْحَـٰبَ ٱلْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا۟ لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ﴿١٧﴾

আমি এদেরকে (অর্থাৎ মক্কাবাসীদেরকে) পরীক্ষা করেছি যেমন আমি বাগানের মালিকদেরকে পরীক্ষা করেছিলাম। যখন তারা কসম করে বলেছিল যে, তারা সকাল বেলায় অবশ্যই বাগানের ফল সংগ্রহ করে নেবে।

—
68:18
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

وَلَا يَسْتَثْنُونَ﴿١٨﴾

তারা ‘ইনশাআল্লাহ’ বলেনি।

—
68:19
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَطَافَ عَلَيْهَا طَآئِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَآئِمُونَ﴿١٩﴾

অতঃপর তোমার প্রতিপালকের পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পড়ল যখন তারা ছিল নিদ্রিত।

—
68:20
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَأَصْبَحَتْ كَٱلصَّرِيمِ﴿٢٠﴾

যার ফলে তা হয়ে গেল বিবর্ণ কাটা ফসলের মত।

—
68:21
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَتَنَادَوْا۟ مُصْبِحِينَ﴿٢١﴾

সকালে একে অপরকে ডেকে বলল,

—
68:22
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَنِ ٱغْدُوا۟ عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَـٰرِمِينَ﴿٢٢﴾

‘তোমরা যদি ফল সংগ্রহ করতে চাও তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।

—
68:23
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَٱنطَلَقُوا۟ وَهُمْ يَتَخَـٰفَتُونَ﴿٢٣﴾

তারা চুপি চুপি কথা বলতে বলতে চলল।

—
68:24
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا ٱلْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ﴿٢٤﴾

‘আজ যেন সেখানে তোমাদের কাছে মিসকীনরা অবশ্যই ঢুকতে না পারে।’

—
68:25
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

وَغَدَوْا۟ عَلَىٰ حَرْدٍ قَـٰدِرِينَ﴿٢٥﴾

তারা এক (অন্যায়) সিদ্ধান্তে সংকল্পবদ্ধ হয়ে সকাল করল।

—
68:26
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوٓا۟ إِنَّا لَضَآلُّونَ﴿٢٦﴾

অতঃপর তারা যখন বাগানটি দেখল তখন তারা বলল, ‘‘আমরা অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলেছি,

—
68:27
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ﴿٢٧﴾

(অতঃপর ব্যাপারটি বুঝতে পারার পর তারা বলে উঠল) বরং আমরা তো কপাল পোড়া।’’

—
68:28
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ﴿٢٨﴾

তাদের মধ্যেকার সবচেয়ে ভাল লোকটি বলল, ‘আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, তোমরা আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছ না কেন?’

—
68:29
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

قَالُوا۟ سُبْحَـٰنَ رَبِّنَآ إِنَّا كُنَّا ظَـٰلِمِينَ﴿٢٩﴾

তারা বলল, ‘আমরা আমাদের প্রতিপালকের পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করছি, আমরা সীমালঙ্ঘনকারীই ছিলাম।’

—
68:30
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَـٰوَمُونَ﴿٣٠﴾

অতঃপর তারা একে অপরের দিকে এগিয়ে গিয়ে পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতে লাগল।

—
68:31
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

قَالُوا۟ يَـٰوَيْلَنَآ إِنَّا كُنَّا طَـٰغِينَ﴿٣١﴾

তারা বলল, ‘দুর্ভোগ আমাদের, আমরা ছিলাম সীমালঙ্ঘনকারী,

—
68:32
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

عَسَىٰ رَبُّنَآ أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَآ إِنَّآ إِلَىٰ رَبِّنَا رَٰغِبُونَ﴿٣٢﴾

সম্ভবতঃ আমাদের প্রতিপালক এর পরিবর্তে আমাদেরকে উত্তম (বাগান) দিবেন, আমরা আমাদের প্রতিপালকের অভিমুখী হলাম।’

—
68:33
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

كَذَٰلِكَ ٱلْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ ٱلْـَٔاخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا۟ يَعْلَمُونَ﴿٣٣﴾

‘আযাব এ রকমই হয়ে থাকে। আর আখিরাতের ‘আযাব তো সবচেয়ে কঠিন। যদি তারা জানত!

—
68:34
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّـٰتِ ٱلنَّعِيمِ﴿٣٤﴾

মুত্তাক্বীদের জন্য তাদের প্রতিপালকের নিকট আছে নি‘মাতে পরিপূর্ণ জান্নাত।

—
68:35
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَفَنَجْعَلُ ٱلْمُسْلِمِينَ كَٱلْمُجْرِمِينَ﴿٣٥﴾

আমি কি আত্মসমর্পণকারীদেরকে অপরাধীদের মত গণ্য করব?

—
68:36
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ﴿٣٦﴾

তোমাদের কী হয়েছে, তোমরা কেমনভাবে বিচার করে সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?

—
68:37
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَمْ لَكُمْ كِتَـٰبٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ﴿٣٧﴾

তোমাদের কাছে কি (আল্লাহর নাযিলকৃত) কোন কিতাব আছে যা পড়ে তোমরা জানতে পার যে,

—
68:38
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ﴿٣٨﴾

তোমাদের জন্য সেখানে তাই আছে যা তোমরা পছন্দ কর?

—
68:39
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَمْ لَكُمْ أَيْمَـٰنٌ عَلَيْنَا بَـٰلِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ ٱلْقِيَـٰمَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ﴿٣٩﴾

অথবা তোমাদের জন্য আমার উপর কি ক্বিয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন দায়বদ্ধতা আছে যে, তোমরা যা দাবী করবে তাই পাবে?

—
68:40
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ﴿٤٠﴾

তুমি তাদেরকে জিজ্ঞেস কর (আল্লাহ যে তাদের সঙ্গে প্রতিশ্রুতিতে দায়বদ্ধ) এ ব্যাপারে তাদের মধ্যে কোন্ ব্যক্তি জামিনদার (গ্যারান্টর)?

—
68:41
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

أَمْ لَهُمْ شُرَكَآءُ فَلْيَأْتُوا۟ بِشُرَكَآئِهِمْ إِن كَانُوا۟ صَـٰدِقِينَ﴿٤١﴾

অথবা তাদের কি শরীক উপাস্য আছে, থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে হাজির করুক- তারা যদি সত্যবাদী হয়ে থাকে।

—
68:42
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 565

يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ﴿٤٢﴾

যেদিন (ক্বিয়ামতে) পায়ের গোছা (হাঁটুর নিম্নভাগ) উন্মোচিত হবে আর তাদেরকে ডাকা হবে সেজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সেজদা করতে সক্ষম হবে না।

—
68:43
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

خَـٰشِعَةً أَبْصَـٰرُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا۟ يُدْعَوْنَ إِلَى ٱلسُّجُودِ وَهُمْ سَـٰلِمُونَ﴿٤٣﴾

তাদের দৃষ্টি হবে অবনত, অপমান লাঞ্ছনা তাদের উপর চেপে বসবে। (দুনিয়াতে) তারা যখন সুস্থ ও নিরাপদ ছিল তখনও তাদেরকে সেজদা করার জন্য ডাকা হত (কিন্তু তারা সেজদা করত না)

—
68:44
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

فَذَرْنِى وَمَن يُكَذِّبُ بِهَـٰذَا ٱلْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ﴿٤٤﴾

কাজেই ছেড়ে দাও আমাকে আর তাদেরকে যারা এ বাণীকে অস্বীকার করেছে। আমি তাদেরকে ক্রমে ক্রমে আস্তে আস্তে এমনভাবে ধরে টান দিব যে, তারা একটু টেরও পাবে না।

—
68:45
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

وَأُمْلِى لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِى مَتِينٌ﴿٤٥﴾

আমি তাদেরকে (লম্বা) সময় দেই, আমার কৌশল বড়ই মজবুত।

—
68:46
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

أَمْ تَسْـَٔلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ﴿٤٦﴾

তুমি কি তাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাচ্ছ যে, দেনার দায়ভার বহন করা তাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে?

—
68:47
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

أَمْ عِندَهُمُ ٱلْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ﴿٤٧﴾

নাকি তাদের কাছে গায়বের খবর আছে যা তা তারা লিখে রাখে।

—
68:48
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

فَٱصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ ٱلْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ﴿٤٨﴾

কাজেই তুমি তোমার প্রতিপালকের হুকুমের জন্য ধৈর্য ধরে অপেক্ষা কর, আর মাছওয়ালা [ইউনুস (আঃ)] এর মত (অধৈর্য) হয়ো না। স্মরণ কর যখন সে (তার প্রতিপালককে ডাক দিয়েছিল চিন্তায় দুঃখে আচ্ছন্ন হয়ে।

—
68:49
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

لَّوْلَآ أَن تَدَٰرَكَهُۥ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِۦ لَنُبِذَ بِٱلْعَرَآءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ﴿٤٩﴾

তার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যদি তার কাছে না পৌঁছত, তাহলে সে লাঞ্ছিত অবস্থায় ধুঁধুঁ বালুকাময় তীরে নিক্ষিপ্ত হত।

—
68:50
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

فَٱجْتَبَـٰهُ رَبُّهُۥ فَجَعَلَهُۥ مِنَ ٱلصَّـٰلِحِينَ﴿٥٠﴾

এভাবে তার প্রতিপালক তাকে বেছে নিলেন আর তাকে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত করলেন।

—
পূর্ববর্তী আয়াতAl-Mulkপরবর্তী আয়াতAl-Haqqah