কন্টেন্টে যান
NurVerse
পবিত্র কুরআননামাজের সময়ক্যালেন্ডারহাদিসদোয়া
Ad
Ad
Ad
Ad
NurVerse

কুরআন পড়ুন, নামাজের সময় ট্র্যাক করুন, দোয়া করুন এবং আপনার ইসলামি জীবন সমৃদ্ধ করুন।

© 2026 NurVerse. সকল অধিকার সংরক্ষিত।

অ্যাপ ইনস্টল করুনযোগাযোগগোপনীয়তা নীতিব্যবহারের শর্তাবলী
সূরার তালিকা
মুসহাফ ভিউ
0/52

الحاقة

Al-Haqqah

Hâkka

মাক্কী·52টি আয়াত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَـٰنِ ٱلرَّحِيمِ

69:1
পারা 29
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

ٱلْحَآقَّةُ﴿١﴾

নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়,

—
69:2
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

مَا ٱلْحَآقَّةُ﴿٢﴾

কী সেই নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়?

—
69:3
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

وَمَآ أَدْرَىٰكَ مَا ٱلْحَآقَّةُ﴿٣﴾

আর তুমি কি জান কী সেই নিশ্চিত সংঘটিতব্য বিষয়?

—
69:4
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

كَذَّبَتْ ثَمُودُ وَعَادٌۢ بِٱلْقَارِعَةِ﴿٤﴾

‘আদ ও সামূদ জাতি সেই আকস্মিকভাবে সংঘটিতব্য মহাবিপদকে মিথ্যে বলেছিল।

—
69:5
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

فَأَمَّا ثَمُودُ فَأُهْلِكُوا۟ بِٱلطَّاغِيَةِ﴿٥﴾

অতঃপর সামূদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রলয়ংকর বিপর্যয় দিয়ে।

—
69:6
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

وَأَمَّا عَادٌ فَأُهْلِكُوا۟ بِرِيحٍ صَرْصَرٍ عَاتِيَةٍ﴿٦﴾

আর ‘আদকে ধ্বংস করা হয়েছিল এক প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়া দিয়ে।

—
69:7
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

سَخَّرَهَا عَلَيْهِمْ سَبْعَ لَيَالٍ وَثَمَـٰنِيَةَ أَيَّامٍ حُسُومًا فَتَرَى ٱلْقَوْمَ فِيهَا صَرْعَىٰ كَأَنَّهُمْ أَعْجَازُ نَخْلٍ خَاوِيَةٍ﴿٧﴾

যা তাদের উপর প্রবাহিত হয়েছিল সাত রাত আট দিন বিরামহীনভাবে, তুমি দেখতে তারা পড়ে আছে ইতস্তত বিক্ষিপ্ত, যেন তারা পুরাতন শুকনো খেজুর গাছের কান্ড।

—
69:8
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 566

فَهَلْ تَرَىٰ لَهُم مِّنۢ بَاقِيَةٍ﴿٨﴾

তুমি তাদের কাউকে রক্ষা পেয়ে বেঁচে থাকতে দেখছ কি?

—
69:9
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَجَآءَ فِرْعَوْنُ وَمَن قَبْلَهُۥ وَٱلْمُؤْتَفِكَـٰتُ بِٱلْخَاطِئَةِ﴿٩﴾

ফেরাউন আর তার পূর্ববর্তীরা আর উল্টে দেয়া জনপদবাসীরা গুরুতর পাপে লিপ্ত ছিল।

—
69:10
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَعَصَوْا۟ رَسُولَ رَبِّهِمْ فَأَخَذَهُمْ أَخْذَةً رَّابِيَةً﴿١٠﴾

তারা তাদের প্রতিপালকের রসূলকে অমান্য করেছিল, তখন তিনি তাদেরকে পাকড়াও করলেন- অত্যন্ত কঠিন পাকড়াও।

—
69:11
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

إِنَّا لَمَّا طَغَا ٱلْمَآءُ حَمَلْنَـٰكُمْ فِى ٱلْجَارِيَةِ﴿١١﴾

(নূহের বানের) পানি যখন কূল ছাপিয়ে সীমা ছাড়িয়ে গেল, তখন আমি তোমাদেরকে চলন্ত নৌযানে আরোহণ করালাম।

—
69:12
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

لِنَجْعَلَهَا لَكُمْ تَذْكِرَةً وَتَعِيَهَآ أُذُنٌ وَٰعِيَةٌ﴿١٢﴾

যেন এ ঘটনাটিকে আমি তোমাদের জন্য শিক্ষাপ্রদ-স্মারক করে রাখি আর সংরক্ষণকারী কান তা সংরক্ষণ করে।

—
69:13
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَإِذَا نُفِخَ فِى ٱلصُّورِ نَفْخَةٌ وَٰحِدَةٌ﴿١٣﴾

অতঃপর যখন সিঙ্গায় ফুঁৎকার দেয়া হবে- মাত্র একটি ফুঁৎকার।

—
69:14
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَحُمِلَتِ ٱلْأَرْضُ وَٱلْجِبَالُ فَدُكَّتَا دَكَّةً وَٰحِدَةً﴿١٤﴾

পৃথিবী আর পর্বতমালা উৎক্ষিপ্ত হবে আর একই আঘাতে তাদেরকে চূর্ণ বিচূর্ণ করা হবে।

—
69:15
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَيَوْمَئِذٍ وَقَعَتِ ٱلْوَاقِعَةُ﴿١٥﴾

সেদিন ঘটবে সেই সংঘটিতব্য (মহা) ঘটনা।

—
69:16
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَٱنشَقَّتِ ٱلسَّمَآءُ فَهِىَ يَوْمَئِذٍ وَاهِيَةٌ﴿١٦﴾

আকাশ হয়ে যাবে দীর্ণ বিদীর্ণ আর সেদিন তা হবে বাঁধন-হারা-বিক্ষিপ্ত।

—
69:17
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَٱلْمَلَكُ عَلَىٰٓ أَرْجَآئِهَا ۚ وَيَحْمِلُ عَرْشَ رَبِّكَ فَوْقَهُمْ يَوْمَئِذٍ ثَمَـٰنِيَةٌ﴿١٧﴾

ফেরেশতারা থাকবে আকাশের আশে পাশে। আটজন ফেরেশতা সেদিন তোমার প্রতিপালকের ‘আরশ নিজেদের ঊর্ধ্বে বহন করবে।

—
69:18
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

يَوْمَئِذٍ تُعْرَضُونَ لَا تَخْفَىٰ مِنكُمْ خَافِيَةٌ﴿١٨﴾

সেদিন তোমাদেরকে (বিচারের জন্য) হাজির করা হবে আর তোমাদের কোন কাজই- যা তোমরা গোপন কর- গোপন থাকবে না।

—
69:19
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَـٰبَهُۥ بِيَمِينِهِۦ فَيَقُولُ هَآؤُمُ ٱقْرَءُوا۟ كِتَـٰبِيَهْ﴿١٩﴾

তখন যাকে তার ‘আমালনামা তার ডান হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘এই যে আমার ‘আমালানামা পড়ে দেখ,

—
69:20
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

إِنِّى ظَنَنتُ أَنِّى مُلَـٰقٍ حِسَابِيَهْ﴿٢٠﴾

আমি জানতাম যে, আমাকে আমার হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে।’

—
69:21
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَهُوَ فِى عِيشَةٍ رَّاضِيَةٍ﴿٢١﴾

অতঃপর সে আনন্দময় জীবন যাপন করবে,

—
69:22
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فِى جَنَّةٍ عَالِيَةٍ﴿٢٢﴾

উচ্চতম মর্যাদার জান্নাতে,

—
69:23
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

قُطُوفُهَا دَانِيَةٌ﴿٢٣﴾

তার ফলসমূহ (ঝুলে থাকবে) নীচে-নাগালের মধ্যে।

—
69:24
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

كُلُوا۟ وَٱشْرَبُوا۟ هَنِيٓـًٔۢا بِمَآ أَسْلَفْتُمْ فِى ٱلْأَيَّامِ ٱلْخَالِيَةِ﴿٢٤﴾

(তাদেরকে বলা হবে) পরিপূর্ণ তৃপ্তির সঙ্গে খাও এবং পান কর বিগত দিনে তোমরা যা (নেক ‘আমাল) করেছিলে তার প্রতিদান স্বরূপ।

—
69:25
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَأَمَّا مَنْ أُوتِىَ كِتَـٰبَهُۥ بِشِمَالِهِۦ فَيَقُولُ يَـٰلَيْتَنِى لَمْ أُوتَ كِتَـٰبِيَهْ﴿٢٥﴾

কিন্তু যার ‘আমালনামা বাম হাতে দেয়া হবে সে বলবে, ‘হায়! আমাকে যদি আমার ‘আমালনামা না দেয়া হত,

—
69:26
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَلَمْ أَدْرِ مَا حِسَابِيَهْ﴿٢٦﴾

আর আমার হিসাব কী তা যদি আমি না-ই জানতাম,

—
69:27
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

يَـٰلَيْتَهَا كَانَتِ ٱلْقَاضِيَةَ﴿٢٧﴾

‘হায়! (দুনিয়ার) মৃত্যুই যদি আমার শেষ (অবস্থা) হত!

—
69:28
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

مَآ أَغْنَىٰ عَنِّى مَالِيَهْ ۜ﴿٢٨﴾

আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজে আসল না,

—
69:29
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

هَلَكَ عَنِّى سُلْطَـٰنِيَهْ﴿٢٩﴾

আমার (সব) ক্ষমতা আধিপত্য নিঃশেষ হয়ে গেছে,

—
69:30
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

خُذُوهُ فَغُلُّوهُ﴿٣٠﴾

(তখন নির্দেশ আসবে) ধর ওকে, ওর গলায় ফাঁস লাগিয়ে দাও,

—
69:31
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

ثُمَّ ٱلْجَحِيمَ صَلُّوهُ﴿٣١﴾

তারপর ছুড়ে ফেল ওকে জাহান্নামে,

—
69:32
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

ثُمَّ فِى سِلْسِلَةٍ ذَرْعُهَا سَبْعُونَ ذِرَاعًا فَٱسْلُكُوهُ﴿٣٢﴾

তারপর ওকে শিকল দিয়ে বাঁধ- সত্তর হাত দীর্ঘ এক শিকলে,

—
69:33
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

إِنَّهُۥ كَانَ لَا يُؤْمِنُ بِٱللَّهِ ٱلْعَظِيمِ﴿٣٣﴾

সে মহান আল্লাহর উপর ঈমান আনেনি,

—
69:34
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

وَلَا يَحُضُّ عَلَىٰ طَعَامِ ٱلْمِسْكِينِ﴿٣٤﴾

আর না সে মিসকীনকে খাবার খাওয়াতে উৎসাহ দিত,

—
69:35
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 567

فَلَيْسَ لَهُ ٱلْيَوْمَ هَـٰهُنَا حَمِيمٌ﴿٣٥﴾

কাজেই আজ এখানে তার কোন বন্ধু নেই,

—
69:36
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَلَا طَعَامٌ إِلَّا مِنْ غِسْلِينٍ﴿٣٦﴾

ক্ষত হতে পড়া পুঁজ ছাড়া কোন খাদ্য নেই,

—
69:37
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

لَّا يَأْكُلُهُۥٓ إِلَّا ٱلْخَـٰطِـُٔونَ﴿٣٧﴾

যা অপরাধীরা ছাড়া অন্য কেউ খায় না।

—
69:38
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

فَلَآ أُقْسِمُ بِمَا تُبْصِرُونَ﴿٣٨﴾

আমি কসম করছি সে সব জিনিসের যা তোমরা দেখতে পাও,

—
69:39
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَمَا لَا تُبْصِرُونَ﴿٣٩﴾

আর (সে সব জিনিসেরও) যা তোমরা দেখতে পাও না

—
69:40
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

إِنَّهُۥ لَقَوْلُ رَسُولٍ كَرِيمٍ﴿٤٠﴾

যে, অবশ্যই এ কুরআন এক মহা সম্মানিত রসূল [জিবরীল (আঃ)]-এর (বহন করে আনা) বাণী।

—
69:41
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَمَا هُوَ بِقَوْلِ شَاعِرٍ ۚ قَلِيلًا مَّا تُؤْمِنُونَ﴿٤١﴾

তা কোন কবির কথা নয়, (কবির কথা তো) তোমরা বিশ্বাস করো না,

—
69:42
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَلَا بِقَوْلِ كَاهِنٍ ۚ قَلِيلًا مَّا تَذَكَّرُونَ﴿٤٢﴾

এটা কোন গণকের কথাও নয়, (গণকের কথায় তো) তোমরা নসীহত লাভ করো না।

—
69:43
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

تَنزِيلٌ مِّن رَّبِّ ٱلْعَـٰلَمِينَ﴿٤٣﴾

এটা বিশ্ব জগতের প্রতিপালকের নিকট থেকে অবতীর্ণ,

—
69:44
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَلَوْ تَقَوَّلَ عَلَيْنَا بَعْضَ ٱلْأَقَاوِيلِ﴿٤٤﴾

নবী যদি কোন কথা নিজে রচনা করে আমার নামে চালিয়ে দিত,

—
69:45
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

لَأَخَذْنَا مِنْهُ بِٱلْيَمِينِ﴿٤٥﴾

আমি অবশ্যই তার ডান হাত ধরে তাকে পাকড়াও করতাম,

—
69:46
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

ثُمَّ لَقَطَعْنَا مِنْهُ ٱلْوَتِينَ﴿٤٦﴾

তারপর অবশ্যই কেটে দিতাম তার হৃৎপিন্ডের শিরা,

—
69:47
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

فَمَا مِنكُم مِّنْ أَحَدٍ عَنْهُ حَـٰجِزِينَ﴿٤٧﴾

অতঃপর তোমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যে, (আমার গোস্বা থেকে তাকে রক্ষা করার জন্য) বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

—
69:48
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَإِنَّهُۥ لَتَذْكِرَةٌ لِّلْمُتَّقِينَ﴿٤٨﴾

মুত্তাক্বীদের জন্য এ কুরআন অবশ্যই এক উপদেশ,

—
69:49
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَإِنَّا لَنَعْلَمُ أَنَّ مِنكُم مُّكَذِّبِينَ﴿٤٩﴾

আমি অবশ্যই জানি যে, তোমাদের মধ্যে কতক লোক (কুরআনকে) অস্বীকার করবে।

—
69:50
পারা 29 · হিযব 57 · পৃষ্ঠা 568

وَإِنَّهُۥ لَحَسْرَةٌ عَلَى ٱلْكَـٰفِرِينَ﴿٥٠﴾

আর এ কুরআন কাফিরদের জন্য অবশ্যই দুঃখ ও হতাশার কারণ হবে (যখন কুরআনে বর্ণিত শাস্তি তাদেরকে ঘিরে ধরবে)।

—
পূর্ববর্তী আয়াতAl-Qalamপরবর্তী আয়াতAl-Ma'arij